সুবক্তা হওয়ার চাবিকাঠি
বক্তৃতা কীভাবে দেবেন তা শেখার বিষয়। “দ্য আর্ট অব পাবলিক স্পিকিং”। ভালো করে কথা বলতে পারা মানেই ভালো বক্তা নন। মুখে শব্দ বসালেই ভালো বক্তৃতা হয় না। মুখে শব্দ বসানোর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের ভাব প্রকাশ করতে হবে। এক্ষেত্রে কণ্ঠস্বরের বিষয়টিও রয়েছে। ভালো কণ্ঠস্বর না হলে সুবক্তা হতে পারবেন না। লক্ষণীয় বিষয় হল-সুবক্তা হতে চাইলে খেয়াল রাখতে হবে- তা যেন মানুষ গুরুত্ব দিয়ে শোনে। বক্তৃতা শেখানোর জন্য এখন অনেক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। আগে প্রশিক্ষণের বিষয়টা ছিল না। বলতে বলতেই বক্তা হয়ে উঠতেন। শুধুমাত্র চর্চার মধ্যে থাকতেন তাঁরা। পড়াশুনার মধ্যে থাকতেন। নিজের বক্তব্য স্পষ্ট,সাবলীল এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করাটাই কাজ। কীভাবে নিজের ভাবনা স্পষ্ট ও গুছিয়ে বলতে পারবেন তা শেখা। শ্রোতাদের আগ্রহ ধরে রাখার প্রচেষ্টা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে-কথার মাধ্যমে আপনাকে প্রভাব বিস্তার করতে হবে। আপনি যদি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জনসমক্ষে কথা বলতে আগ্রহী হন, সেক্ষেত্রে তৈরি হতে হবে। রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে শুরু করে,শিক্ষকতার ক্ষেত্র,বিভিন্ন সেমিনার,আলোচনার টেবিলে আপনি দক্ষ হয়ে উঠতে পারবেন। এক্ষেত্রে করণীয় কাজ হবে-তাৎক্ষণিক বিষয়গুলি নজরে রাখা,সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে চোখ রাখা আর পড়াশুনার মধ্যে ডুবে থাকা। কণ্ঠস্বরের বিষয়টিও নজরে রাখতে হবে। শব্দচয়নের ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে। এমন শব্দ প্রয়োগ করবেন না যাতে মানুষ বিরক্ত হন। সংবাদপত্র,পত্র-পত্রিকা,ম্যাগাজিন প্রভৃতি নিয়মিত পড়তে হবে। ভালো বক্তাদের বক্তৃতাও শুনতে হবে। চর্চা করতে করতেই দক্ষতা বাড়বে। সম্ভব হলে কোনও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। এতে দক্ষতা বাড়বে।

